আন্তর্জাতিক

ভারতীয় হিন্দু পরিবার ইসলাম গ্রহণ করে ভেঙ্গে ফেললো তাদের মুর্তি (ভিডিও)

ভারতীয় হিন্দু পরিবার ইসলাম গ্রহণ করেছে এবং তাদের মূর্তি ও মূর্তির ছবি ভেঙে-ছিড়ে ফেলেছে। আল্লাহু আকবার। বেশি বেশি শেয়ার করে পৃথিবীবাসিকে জানিয়ে দিন।

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা। ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের ঐক্য করতে বললেন আন্দালিব রহমান পার্থ

.বিজেপির নেতা আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যত গুলো আন্দোলন হয়েছে সব গুলো আন্দোলনে ছাত্র সংগঠন গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছিলো।অন্যায় জুলুম এর পতন করে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে ছাত্র সংগঠন গুলোর ভুমিকা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধারর সাথে স্মরন রাখবে ।

তাই এখনই সময়ের দাবী ছাত্রদলের পরিচালনায় ও ছাত্র শিবিরের সমন্বয়ে গঠিত হওয়া দরকার সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য।

তিনি (পার্থ ) ‘বেগম জিয়ার গ্রেপ্তারে কোনো রাজনৈতিক সংকট দেখছেন না, বরং এটাকে তিনি রাজনৈতিক সংকট নিরসনের পথ মনে করছেন। দলের কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিএনপির বডি ল্যাঙ্গুয়েজই বলে দেয় তারা আপোষ ফর্মুলার মধ্যে এগুচ্ছে।’ তাঁর মতে, ‘শিগগিরই বেগম জিয়া জেল থেকে বেরুবেন এবং নির্বাচনের ঘোষণা দেবেন।

’ পার্থ মনে করেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারে থেকে নির্বাচন করলে সেই নির্বাচনে তারাই জিতবে।

বিনিময়ে হয়তো বেগম জিয়া তাঁর পুত্র তারেক জিয়োকে দেশে ফেরার অনুমতি আদায় করবেন।’ কর্মীদের পার্থ বলেছেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। আপাতত দেশে বড় ধরনের আন্দোলন হবে না।’

বিশেষ করে ৯০ এর স্বৈরচার পতনে, বিভিন্ন মতাদর্শ লালন কারী হওয়া সত্বেও ছাত্র সংগঠন গুলোর যুগপৎ আন্দোলনের ফলে অগণতান্ত্রিক সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলো।সুতরাং এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়, শান্তিপূর্ণ উপায়ে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অবশ্যই ছাত্র সংগঠন গুলোর ইস্পাত কঠিন ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।

আমি মনে করি” দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব, মানুষের ভোটের অধিকার এবং ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশ প্রেমিক ছাত্র জনতার অবশ্যই সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য গঠন করা অতি প্রয়োজন।

অবশ্য এর আগেও ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরসহ ও অন্যান্য সমমনা ছাত্র সংগঠন নিয়ে গঠিত হয়েছিলো সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য,যার ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালের নির্বাচনেবিএনপি-জামায়াত দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়। সেই সময়কার ছাত্রদল সভাপতি জনাব নাসিরুদ্দিন পিন্টু এবং ছাত্রশিবির সভাপতি জনাব নুরুল ইসলাম বুলবুলের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে স্বরণীয় হয়ে রয়েছে।

তাই এখনই সময়ের দাবী ছাত্রদলের পরিচালনায় ও ছাত্র শিবিরের সমন্বয়ে গঠিত হওয়া দরকার সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য।

দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সহ বিরোধী দলীয় সকল নেতা কর্মীদের মুক্তি এবং একটি অবাধসুষ্ঠ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সভাপতিদ্বয় বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।

মনে রাখতে হবে, এই সময়ে ছোট খাটো স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে এবং সকল ভেদাভেদ ভূলে মায়ের পেটের ভাইয়ের মত হাতে হাত রেখে, কাধেঁ কাঁধ মিলিয়ে ছাত্রদল এবং ছাত্রশিবির নেতাকর্মীরা ইস্পাত কঠিন ঐক্য করতে হবে।

Facebook Comments

লেখক সম্পর্কে

স্টাফ রিপোর্টার

Leave a Reply

%d bloggers like this: