মায়ের বুকের দুধের বিষক্রিয়ায় শিশুর মৃত্যু!


শিশুর জন্য মায়ের কোল পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা, আর মায়ের বুকের দুধ সবচেয়ে নিরাপদ খাবার। অথচ ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস সেই মায়ের কোলেই সেই মায়ের বুকের দুধের বিষাক্ততায় কি না মৃত্যু হলো অবুঝ শিশুর।

এই করুণ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যে। মায়ের পাশেই ঘুমিয়ে ছিল শিশুটি। হঠাৎ শিশুটির মাকে কামড় দেয় বিষাক্ত এক সাপ। যা ঘুমের মধ্যে অনুভব করতে পারেননি ওই নারী। নিজের অজান্তেই শরীরের বিষাক্ত বুকের দুধ পান করান শিশুকে। যার ফলে সাপের বিষক্রিয়ায় মা-মেয়ে উভয়ই মারা যান।

সাপ ছোবল দেওয়ার বিষয়টি ওই নারী বুঝতে পারেননি। আর তাই ঘুম থেকে ওঠে বুকের দুধ পান করান তার মেয়ে শিশুকে। সকালে অসুস্থ মা-মেয়েকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান।

পুলিশ কর্মকর্তা বিজয় সিং জানান, সাপটিকে পাশের রুমেই দেখতে পান পরিবারের সদস্যারা। তবে সেটি পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ থানায় একটি দুর্ঘটনাজনিত মামলা দায়ের করেছে।

ভারতে প্রায় ৩০০ প্রাজাতির সাপ রয়েছে। যার মধ্যে ৬০টি প্রজাতি অত্যন্ত বিষধর। ২০১১ সালে মার্কিন সোসাইটি অব ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী কমপক্ষে ৪৬ হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যায়। যার প্রায় ১০ হাজার মানুষ মারা যায় ভারতে। সূত্র: ডেইলি সান



Source link

কাজের মেয়ে থেকে তিনি এখন মডেল!


কাজের মেয়ে থেকে মডেল!- কথাটি রূপকথার গল্পের মতো শোনা গেলেও বাস্তবে সত্যি ঘটনা এটি। মানুষের বাড়ি বাড়ি যিনি কাজ করে বেড়াতেন তিনি এখন মডেল!

এমন একটি কাহিনী সত্যিই রূপকথার গল্পের মতোই। বাস্তব জীবনে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা কেও কল্পনাও করতে পারেন না।

কিন্তু এবার তাই হয়েছে। যিনি বাড়ি বাড়ি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি এখন মডেল।

তবে এর নেপথ্যে রয়েছেন মনদীপ নেগি নামে এক ডিজাইনার। গল্পটার শুরুও ঠিক এখান থেকেই।

মনদীপের বাড়ি ভারতের হরিয়ানায়। তিনি যে ফ্ল্যাটে থাকেন তার উল্টো দিকেই একটি ফ্ল্যাটে পরিচারিকার কাজ করতেন বিপাশা (পরিবর্তিত নাম)।

পরিচারিকার কাজ করেই সংসার চালাতো বিপাশা। ছোট্ট খুপরির মধ্যে দুই ছেলেমেয়ে ও স্বামীকে নিয়ে তার সংসার চলতো।

মনদীপের অনেক দিন ধরেই সাধ ছিল এমন একজনকে তিনি মডেল হিসাবে তুলে ধরবেন, যিনি হবেন ট্র্যাডিশনাল মডেলিং হতে একেবারেই পৃথক।

কাজের মেয়ে থেকে মডেল!

তবে হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়নি তাকে। কোনও নামকরা মডেলের কাছেও ছুটে যেতে হয়নি মনদীপকে। পেয়ে গেলেন খুব সহজে হাতের কাছেই।

মডেলিংয়ের সব খোরাকই পেয়ে গিয়েছিলেন পাশের বাড়িতে কাজ করতে আসা, বিপাশার মধ্যে। একদিন তাকে প্রস্তাবটা দিয়ে ফেলেন মনদীপ।

প্রথমে বিশ্বাসই হয়নি বিপাশার। কী শুনছেন তিনি? এটি কী সত্যি, নাকি তিনি স্বপ্ন দেখছেন? একজন পরিচারিকাকে মডেল করার প্রস্তাব কেনো দিচ্ছেন মনদীপ মজা করছেন না তো?

মনে মনে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল বিপাশার। প্রস্তাবটি নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার জন্য মনদীপের কাছে সময়ও নেন তিনি। অবশেষে রাজিও হয়ে গেলেন বিপাশা।

মনদীপ বলেন, বিপাশা যখন প্রথম ফটোশুট করে, দেখে মনেই হয়নি যে এই প্রথম ও ক্যামেরার সামনে পোজ দিচ্ছে। এখন বিপাশা অন্যতম সেরা মডেল।

মডেলিংয়ের জন্য পোশাক পরে, মেকআপ করে যখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন বিপাশা, চমকে ওঠেন নিজেকে দেখে, তিনি সত্যিই বিপাশা তো!

তার মধ্যে যে এই রূপ সুপ্ত অবস্থায় ছিল সেটি মনদীপের হাতের ছোঁয়ায় সত্যিই প্রাণ পেলো।

মনদীপকেও নিরাশ করেননি বিপাশা, প্রমাণ করে দেখিয়েছেন তাকে মডেল হিসাবে বেছে নিয়ে তার কোনও ভুল হয়নি।



Source link

আজ নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস


‘কমাতে হলে মাতৃমৃত্যু হার, মিডওয়াইফ পাশে থাকা একান্ত দরকার।’ এই স্লােগান নিয়ে আজ সোমবার নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উদযাপিত হচ্ছে। নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে রোলমডেল। স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন এবং সর্বস্তরের জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় উন্নয়নে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা অপরিহার্য। সরকার গর্ভবতী মা ও নবজাতকের মানসম্মত পরিচর্যা এবং রোগ প্রতিরোধে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত এবং মাতৃমৃত্যু হ্রাসে মিডওয়াইফগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, তিন হাজার মিডওয়াইফকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে ১৫’শ জনের প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদেরকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়োগ দেওয়া হবে।



Source link

সৌদি আরবে আকামা জটিলতায় হাজার হাজার বাংলাদেশী শ্রমিক


বাংলাদেশের বৃহৎ শ্রমবাজার সৌদি আরবে পাড়ি জমানো বাংলাদেশী শ্রমিকদের মধ্যে হাজার হাজার কর্মী আকামা জটিলতায় পড়েছেন। কোম্পানি থেকে তাদের আকামা করে দেয়ার নিয়ম থাকলেও অধিকাংশ কোম্পানি সেটি করছে না। এর কারণে বৈধভাবে যাওয়ার পরও আকামা জটিলতার কারণে বহু শ্রমিক এখন অবৈধ হয়ে লুকিয়ে কাজ করছেন। এরমধ্যে যারা পুলিশি অভিযানে ধরা পড়ছেন তাদের সৌদি সরকারের জাকাত ফান্ডের খরচে ১৫ দিনের মধ্যে বিমানের টিকিট দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

লাখ লাখ টাকা খরচ করে যাওয়া শ্রমিকরা বলছেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশ থেকে কেউ যেনো সৌদি আরবে আসার চিন্তাও না করে। এলে শুধু পদে পদে বিপদ আর বিপদ রয়েছে বলে হুঁশিয়ার করেন তারা।এ দিকে ঢাকা থেকে রিক্রুটিং এজেন্সির পাঠানো শতাধিক শ্রমিক প্রতিদিন আকামা সমস্যা, কোম্পানিতে কাজ না থাকাসহ নানা সমস্যা নিয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভিড় করছেন। দূতাবাসের লেবার উইংয়ের কর্মকর্তারা তাদের সমস্যা সমাধানে চেষ্টা অব্যাহত রাখছেন বলে জানা গেছে। লেবার উইংয়ের এক কর্মকর্তা নয়া দিগন্তকে বলেছেন, বর্তমানে সৌদি আরবে বিদেশী শ্রমিকদের আকামাসহ যেসব সমস্যা বিরাজ করছে, সেটি দূতাবাসের একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়। এসব অভিযোগের বিষয়টি ঢাকায় লিখিতভাবে প্রতিবেদন পাঠানো হচ্ছে। তিনি মনে করেন, এসব সমস্যার সমাধান সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের হস্তক্ষেপ ছাড়া হবে না। তবে রিয়াদের অদূরে এবিভিরক নামক একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে লেবার উইংয়ের তত্ত্বাবধানে কাজ না থাকা ৫০০ শ্রমিককে (রিপ্লেস) বিভিন্ন পদে চাকরিতে নিয়োগ দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

সৌদি আরবে পাড়ি জমানো একাধিক প্রতারিত শ্রমিক গতকাল নয়া দিগন্তকে টেলিফোনে জানান, ৫-৬ লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরবে যাওয়ার পরও চাকরি নেই এমন শ্রমিকের এখন অভাব নেই। বর্তমানে সৌদি আরবের পরিস্থিতি খুব ভালো নয়। নির্মাণপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে আছে। আর যেগুলো সচল সেগুলোও সেøা।

ফলে হাজার হাজার শ্রমিক বিপদের মধ্যে আছে। আকামা নেই, কাজ নেই, বেতন নেই এমন ৫০-১০০ জন শ্রমিক গড়ে প্রতিদিন বাংলাদেশ দূতাবাসে ভিড় জমাচ্ছেন। তারা বলছেন, ঢাকা থেকে রিক্রুটিং এজেন্সি ও তাদের দালালরা এখানকার ফাইভ স্টার হোটেলের ছবি দেখিয়ে ৫-৬ লাখ টাকা নিয়ে সৌদি আরব পাঠিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু যাওয়ার পর জানতে পারেন, আসলে তাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। ক্লিনিংয়ের কাজে বেতন ১০০০ রিয়ালের কথা বলে নিলেও শ্রমিকরা ৫০০ রিয়ালের বেশি বেতন পাচ্ছেন না।

নারী শ্রমিকরাও সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। তবে আগের তুলনায় অনেক কম।গতকাল বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, আকামা সমস্যা সেখানে জটিল আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে হাজার হাজার শ্রমিক অবৈধ হয়ে পড়ছে। তারা সমস্যা থেকে উত্তরণে দূতাবাসে এসে ভিড় করছে। কিন্তু এই সমস্যা দূতাবাসের পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। সৌদি সরকারের সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বর্তমানে সৌদি আরবে জীবনযাত্রার মান অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়ায় বাংলাদেশীসহ প্রবাসী বিদেশী শ্রমিকরা এখন স্বেচ্ছায় দেশটি থেকে চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আকামা খরচ কোম্পানির দেয়ার কথা। একজনের আকামা তৈরি করতে ৮-৯ হাজার সৌদি রিয়াল। বাংলাদেশী টাকায় পৌনে ২ লাখ টাকার মতো। এর সাথে ‘টেবিল খরচ’ মিলিয়ে দুই লাখ টাকা পড়ে যায়। কিন্তু কোম্পানিতে যেখানে কাজই ঠিকমতো নেই সেখানে মালিক আকামার খরচ দেবে কিভাবে? ফলে শ্রমিকরা অবৈধ হয়ে পড়ছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যারা অবৈধ হয়ে পড়ছে তারা পালিয়ে কাজ করছে। এরমধ্যে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়ে গেলে তাদের ডেপুটেশন সেন্টারে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। এর ১৫ দিনের মধ্যে সৌদি আরব সরকারের জাকাতের ফান্ডের টাকা দিয়ে টিকিট কেটে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে অনেকেই দেশে চলে গেছে।



Source link

রোহিঙ্গাদের জন্য ৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার দিল ফ্রান্স


মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকারী পুষ্টি কর্মকাণ্ডে ৪ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে ফ্রান্স। রোহিঙ্গাদের জন্য এ অনুদানে ফ্রান্সকে অভিনন্দন জানিয়েছে জাতিসংঘ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)।

ডব্লিউএফপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাসরত ৫ বছরের কম বয়সি শিশু এবং গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ্য মহিলাদের অপুষ্টি দূরীকরণে ফ্রান্সের এ সহায়তা অবদান রাখবে। রোহিঙ্গাদের সুষম পুষ্টি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পুষ্টিকর কর্মকাণ্ডে ডব্লিউএফপি কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদানের এটি একটি অংশ।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি অনিক বৌরদিন বলেছেন, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি পরিচালিত পুষ্টি কর্মসূচি ও প্রশিক্ষণে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিশু ও মহিলাদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব পড়ায় আমরা খুবই খুশি। পুষ্টি কর্মসূচিতে ফ্রান্সের এ সহায়তা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে ৫ বছরের কম বয়সি ৫ হাজারের অধিক শিশু এবং ১ হাজার ১০০ গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ্য মহিলা সুফল পাবে।

২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে ৭ লাখের অধিক রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। কক্সবাজারে বর্তমানে প্রায় দশ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। এক জরিপে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরগুলোতে পষ্টিহীনতার শিকার প্রায় ১৫ শতাংশর বেশি এবং প্রায় অধের্ক শিশু রক্তশূন্যতায় ভুগছে।



Source link

আজ খালেদা জিয়ার জামিন বিষয়ে আদেশ


কুমিল্লায় বাসে পেট্রলবোমা হামলার দুই মামলা এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে নড়াইলে করা মানহানি মামলায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদনে রায় আসবে আজ।

২০১৫ সালে বিএনপির সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় ৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রল বোমা হামলা চালিয়ে হত্যা করা হয় আটজনকে। এই ঘটনায় করা হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে আলাদা মামলায় বিএনপি নেত্রীকে করা হয়েছে হুকুমের আসামি।

এর বাইরে স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়া, ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগ করা মামলাতে ১৭ মে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছে ঢাকার দুটি আদালত। আর মুক্তিযদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে নড়াইলে করা মামলায় গত ৮ মে খালেদা জিয়ার জামিন নাকচ হয়েছে।

খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এজে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দীন খোকন, মাসুদ রানা। জামিন দেয়ার বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এই তিনটি মামলায় জামিন পেলেও মুক্তি হচ্ছে না বিএনপি নেত্রীর। ভুয়া জন্মদিনের এবং স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা দেয়ার ঘটনায় দুটি মামলা জামিন চেয়ে করা আবেদনের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে তাকে।



Source link

এক টেবিলে সাড়ে সাত হাজার মানুষের ইফতার!


দীর্ঘ টেবিলে ইফতার আয়োজন করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছে মিসর। মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে বসেছিল সেই ইফতারের মিলনমেলা। যেখানে এক হয়ে ইফতার করেছেন প্রায় সাড়ে সাত হাজার মানুষ। যা লম্বায় ছিল চার হাজার ৪০৩ মিটার (প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার)। এভাবে একসঙ্গে দীর্ঘ টেবিলে ইফতার আয়োজন করে বিশ্বের আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে নীল নদ আর পিরামিডের এ দেশটি।

ওই ইফতার টেবিলে সারিবদ্ধভাবে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশ নেয়। কারও পোশাক-আশাকে আভিজাত্যের ছাপ, কারও দারিদ্র্যের। তবে কারও মধ্যে ছিল না কোন জড়তা। সবাই একই রকম ইফতার নিয়ে বসেছিলেন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।

স্মরণীয় এ সম্প্রীতির ইফতার টেবিলটির আয়োজন করেছিল ‘রেডিও অ্যাক্টিভ’ নামে তরুণদের একটি সংগঠন। তবে এ আয়োজনে মিসরীয় সরকারের সমন্বয়ও ছিল সংগঠনটির সঙ্গে।

২০১৪ সালে দুই কিলোমিটারজুড়ে ইফতার আসরের অয়োজন করেছিল ভূমধ্য উপকূলভূমি ইতালি। পাশাপাশি এক হাজার ২৮৬ মিটার লম্বা ইফতার টেবিলের আয়োজন করে রেকর্ডভুক্ত হয়ে আছে ফিনল্যান্ডও। এছাড়া সৌদি আরবের জেদ্দাসহ বিভিন্ন শহরে বড় বড় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয় প্রতিবছরই।

এদিকে, ভারতের শ্রীনগরে ডাল লেকের তীরে প্রায় দেড় কিলোমিটারেরও বেশি লম্বা কাপড় বিছিয়ে ‌‘দস্তরখানা’য় সাড়ে তিন হাজার মানুষের ইফতার আয়োজন করা হয়। যা স্মরণীয় হয়ে এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ রের্কড গড়ে আছে দেশটির জম্মু ও কাশ্মীর শহর।

কাশ্মীরের সুশীল সমাজ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ‘লাউড বিটল’ নামে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এ ‘দস্তরখানা’ ইফতার মাহফিলটির আয়োজন করেছিল। যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ শহরের সর্বোচ্চ রেকর্ড।



Source link

ধোনির চওড়া কপালে রূপকথার যে অধ্যায় লেখা হলো


তৃতীয় বারের জন্য আইপিএল ট্রফি হাতে তুললেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। চেন্নাইয়ের খেতাব জয়ের হ্যাটট্রিকের দিনে আরও একবার প্রমাণিত হলো ধোনিই ভারতীয় ক্রিকেটের সিকান্দর। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে শেষ হাসি চেন্নাইয়েরই। ধোনিকে নামতেই হলো না। জিতে গেল চেন্নাই।

টসে জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক ধোনি। সানরাইজার্স প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ৬ উইকেটে ১৭৮। হায়দরাবাদের অধিনায়ক উইলিয়ামসন ৩৬ বলে করেন ৪৭। ইউসুফ পাঠান অপরাজিত থাকেন ২৫ বলে ৪৫ রানে।

ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেই ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। ডুপ্লেসিস ও ওয়াটসন একেবারেই স্কোরবোর্ডকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছিলেন না। ওয়াটসন তো প্রথম দশ বলে কোনও রানই করতে পারেননি! কে জানত, অভিজ্ঞ অস্ট্রেলিয়ানই একা শেষ করে দেবেন ম্যাচ। তিন নম্বর ওভারের শেষ বলে ডুপ্লেসিস (১১ বলে ১০) আউট হন। চেন্নাই তখন ১৬/১। এর পরই হাত খোলেন ওয়াটসন। রায়নাও তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন।

রায়না-ওয়াটসনের পার্টনারশিপ যত এগোতে থাকে তত যেন চওড়া হতে থাকে ডাগ আউটে বসে থাকা ধোনির হাসি। ম্যাচের ১৩ নম্বর ওভারে যখন ওয়াটসন ছক্কার হ্যাটট্রিক-সহ ২৭ রান তুলে নিলেন তখন চেন্নাইয়ের সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মনে হচ্ছিল মুম্বাইয়ের সমুদ্রের শব্দই যেন গ্যালারিতে ফুটে উঠছে।

অথচ পরের ওভারেই রায়না আউট হয়ে যান ২৪ বলে ৩২ করে। রায়াডুকেও এক ওভার দাঁড় করিয়ে রাখেন রশিদ খান। পর পর পাঁচটি বলে কোনও রান করতে পারেননি রায়াডু। শেষ বলে কোনও মতে এক রান নিয়ে রশিদের মেডেন পাওয়া আটকান তিনি।

কিন্তু তাতেও হায়দরাবাদের খেলোয়াড়দের দেখে মনে হচ্ছিল না, তাঁরা আলাদা করে কোনও ভরসা পাচ্ছেন বলে। কেননা ততক্ষণে আস্কিং রেট নেমে এসেছে ধোনিদের একেবারে নাগালের মধ্যে। ওয়াটসন শতরানে পৌঁছতেই তাঁর মুখের হাসি বলে দিচ্ছিল, ম্যাচটা যে পকেটে সেটা বুঝে ফেলেছেন।

শেষ পর্যন্ত ১৯ নম্বর ওভারেই ম্যাচ শেষ করে দিলেন রায়াডু। তাঁর বাউন্ডারিতেই দুইবছরের নির্বাসন শেষে সোনালি প্রত্যাবর্তন চেন্নাইয়ের। রবিবাসরীয় ম্যাচ আবারও প্রমাণ করে দিল ধোনির চওড়া কপালের রূপকথার এখনও অনেক অধ্যায় বাকি।



Source link

‘মাগো, অভিযানের লাগাম টানো’- প্রধানমন্ত্রীকে আ.লীগ নেতা


মাদকবিরোধী অভিযানে গুলিতে কক্সবাজারের টেকনাফে সরকারদলীয় নেতা এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিহতের পর এই অভিযান থামাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আকুতি জানিয়ে খোলা চিঠি লিখেছেন কক্সবাজারের পৌর মেয়র মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী।

জনাব চৌধুরী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও। দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এই চিঠিটি তিনি পোস্ট করেছেন ফেসবুকে, আশা করছেন, তার নেত্রীর কাছে এই আহ্বান পৌঁছে যাবে।

গত ৪ মে থেকে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। র‌্যাব ও পুলিশের এই অভিযানে শুরুর দিকে খুব একটা প্রাণহানির খবর না পাওয়া গেলেন গত আট দিন ধরেই প্রতিদিন গড়ে ১০ টি করে মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এদের মধ্যে বেশিরভাগই কথিত বন্দুকযুদ্ধে এবং কয়েকজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, কিন্তু বন্দুকযুদ্ধ বলে স্বীকার করেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এর মধ্যে গত রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে গুলিতে নিহত হন টেনকাফের তিন নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, টেকনাফ যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হক। আর এই মৃত্যুতেই ব্যথিত কক্সবাজারের পৌর মেয়র মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী।

নিহত একরামকে নির্দোষ দাবি করে তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার বলেও দাবি করা হয় চিঠিতে। স্থানীয় আরও কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও সংশয়ের কথা বলেন মাহবুবুর রহমান চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীকে ‘মা’ সম্বোধন করে তার মাধ্যমে প্রশাসনকে আওয়ামী লীগ নেতা লেখেন, ‘যদি সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে চান, তবে প্রকৃত ইয়াবাকারবারীদের শেষ করুন।’

‘পারলে টেকনাফের সাইফুল করিম, এমপি বদির ভাই আবদুর রহমান ও আবদুর শুক্কুর, কক্সবাজার শহরের শাহাজাহান আনসারী ও কামাল আনসারী, লারপাড়ার আবুল কালাম কন্ট্রাকটার, পেকুয়ার মগনামার ওয়াসিমের মত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তালিকাভুক্ত ও সমাজ স্বীকৃত ইয়াবাকারবারীদের ক্রসফায়ার দিন।’

‘দয়া করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে কলঙ্কিত করবেন না। একরামের মতো নিরাপরাধ ও জনপ্রিয় নেতাকে ক্রসফায়ার দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার তথা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গায়ে কালিমা লেপনের চেষ্টা করবেন না।’

একরামের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ ইয়াবা মুক্ত হয় তবে কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে বলেও মন্তব্য করেন কক্সবাজারের পৌর মেয়র।

এই অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধ বা গুলিতে এখন পর্যন্ত ৯০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার কর্মী, বিএনপি ও সমমনারা এই অভিযান নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়ে আসছেন। তারা কথিত বন্দুকযুদ্ধের বর্ণনা না মেনে একে বিচারবহির্ভূত হত্যা আখ্যা দিচ্ছেন। গুলি করে হত্যার বদলে বিচারের দাবিও তুলছেন তারা।

তবে আওয়ামী লীগ এই অভিযানের পক্ষ নিয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, দেশকে মাদকমুক্ত করতে এর বিকল্প নেই। এই প্রথম এই দলের জেলা পর্যায়ের একজন নেতার পক্ষ থেকে এ নিয়ে আপত্তি উঠল।

‘একরাম নির্দোষ, চক্রান্তের শিকার’

একরামকে আজন্ম আওয়ামী লীগ পরিবারের অহংকার আখ্যা দিয়ে মাহবুব লেখেন, প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে এই কাজটি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনাকে ‘মা’ উল্লেখ করে কক্সবাজারের মেয়র বলেন, ‘মাগো এমন চলতে থাকলে আওয়ামী লীগ তথা বাংলাদেশ নিঃশেষ হতে খুব বেশি সময় লাগবে না।’

‘আপনি তো আপনার সন্তানদের চিনেন। আপনি তো আমাদের সকল খবর রাখেন। আপনি বলেন, আপনার যেই সন্তান আজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছড়িতে দিতে কাজ করেছে। আপনার যে সন্তান দুঃসময়ের মধ্যেও টেকনাফ যুবলীগকে মডেল ইউনিটে পরিণত করেছিল। আপনার সেই সন্তান একরামুল হক কি ইয়াবার মত মরণ নেশার সাথে জড়িত থাকতে পারে?’

‘যার চাল চুলো নেই, থাকার জন্য বাড়ি নেই। পরিবার ও সন্তানদের লেখাপড়া চালানোর জন্য যাকে নির্ভর করতে হয় ভাইদের উপর, বন্ধুদের উপর। আওয়ামী লীগকে ভালবেসে জনগণকে সেবা করতে গিয়ে দেনার দায়ে যার সব শেষ তাকে বানানো হচ্ছে ইয়াবা গড়ফাদার! হায় সেলুকাস।’

‘মাগো, আমি আমার কান্না রুখতে পারছি না। একরামের মৃত্যুতে আমার হৃদয়ে ক্ষণে ক্ষণে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। এ হত্যা মানতে পারছি না।’

নিহত একরামের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে মাহবুবুর রহমান লিখেন, ‘আমি যখন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, তখন একরাম টেকনাফ যুবলীগের সভাপতি। তাই সাংগঠনিক কারণেই আমি তাকে কাছ থেকে চিনি।’

‘একরামের কথা ভাবলেই চোখের সামনে চলে আসে তার দুই মেয়ের ছবি। কী হবে এখন তাদের? কী ছিল তাদের বাবার অপরাধ? তবে কি বর্তমান প্রতিহিংসার রাজনীতি কেড়ে নিল আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কা-ারিকে।’

একরামকে ‘দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের একজন খাঁটি নির্লোভ যোদ্ধা’ উল্লেখ করে কক্সবাজারের আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘হয়ত বা এই কারণেই মাদক বিরোধী অভিযান প্রশ্ন বিদ্ধ করতে শকুনের দৃষ্টি এড়াতে পারেনি একরাম।’

‘একরামের মৃত্যু আওয়ামী লীগের ত্যাগী বিশ্বস্তদের জন্য অশনি সংকেত’ উল্লেখ করে খোলা চিঠিতে প্রশ্ন করা হয়, ‘একরামকে হত্যার মধ্য দিয়ে তবে কি টেকনাফকে আওয়ামী লীগ শূন্য করার কাজ শুরু হয়ে গেল?’

‘বড় ভয় হচ্ছে সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা নুর হোসেন এবং টেকনাফ যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলমের কথা ভেবে। তাদের দিকেও তো একটি মহলের কুদৃষ্টি রয়েছে।’

শেখ হাসিনাকে কক্সবাজারের মেয়র লেখেন, ‘মা, এখনও সময়, লাগাম টেনে ধরো তাদের। যারা প্রকৃত মুজিব আর্দশের সৈনিকদের হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে।’

২০০৮ সালে একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে একরামের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ছিল উল্লেখ করে খোলা টিছিতে বলা হয়, ‘তখন তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলাও হয়েছিল। যদিও মামলাটিতে একরাম নির্দোষ প্রমাণিত হয়। সেই সূত্রে ২০১০ সালে নাম ওঠে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম তালিকাতেও। কিন্তু ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তার বদলির পর সেটা সংশোধন হওয়ায় নিরাপরাধ এ জনপ্রিয় কমিশনারের নাম বাদ পড়ে যায়।



Source link

সাপ কামড়ালে কোন অবস্থাতেই যা করা যাবে না


সকলপ্রকার কুসংস্কারকে এড়িয়ে, সাপে কাঁটলে প্রথমেই রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। আমাদের অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে কিছু অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর কাজ করা হয় সেগুলো করা যাবে না। নিচে এই ক্ষতিকর কাজগুলো সমন্ধে লেখা হল,

* কখনোই আক্রান্ত জায়গাটিকে চিড়ে দেয়া যাবে না, এতে করে খুব দ্বিগুণ গতিতে বিষ ছড়ায়।

* যাকে সাপ কামড়েছে, তাকে কখনওই কাত করে শোয়ানো যাবে না। সব সময়ে সোজা করে শোওয়াতে হবে। ঠিক যেভাবে স্ট্রেচারের উপরে শোওয়ানো হয়।

* সাপ যে জায়গায় কামড়েছে, তার আশেপাশে বা উপরে কোনও কাপড় বাঁধা উচিত না। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে গিয়ে ধমনী এবং শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

* শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকেও হাঁটাচলা করতে দেয়া যাবে না। এর ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

* সাপ কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ আক্রান্তকে খাওয়ানো উচিত না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা কঠিন হবে। আক্রান্তের যন্ত্রণা বেড়েও যেতে পারে।



Source link